ফাইল ছবি

আমরা ওয়াদা দিলে তা পূরণ করি: শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা কিন্তু আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে তা ফেলে দেইনি। এই ইশতেহারটা আমাদের সাথে থাকে। এমনকি ছোট করে কপি করে আমরা ব্যাগেও রাখি। কেউ পকেটেও রাখি। সেই সাথে আমরা যখনই কোন প্রজেক্ট হাতে নেই বা প্রতি বছর যখন বাজেট করি তখন প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের একটি কপি দিয়ে দি। কারণ আমরা যে ওয়াদা দিয়েছি সেই ওয়াদা পূরণ করতে চাই। শুধু সেই ওয়াদাই নয়, সুযোগ হলে তার চেয়ে বেশিও করি।’

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র— বিআইসিসিতে ‘শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশ’ শীর্ষক ব্যবসায়ী সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘দুর্নীতি করে নিজের জীবনমান উন্নয়ন করা নয়, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করাই আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের কথা শুনে আমি সত্যিই খুব মুগ্ধ হয়েছি, কারণ আপনারা অনেক সুন্দর করে প্রতিটি সেক্টর তুলে ধরেছেন। আমি যখন বিদেশে যাই তখন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল নিয়ে যাই। কারণ আমি সব সময় বলি আপনারা আপনাদের ব্যবসায়ী বন্ধু খুঁজে নিন। যেনো আমাদের দেশে আরও বেশি বিনিয়োগ আসে।’

তিনি বলেন, ‘ব্যবসা বাণিজ্য ছাড়া কোনো দেশ উন্নতি করতে পারে না। আর এ ব্যবসা বাণিজ্য সম্পসারণে সরকার কাজ করছে।’

প্রধানমন্ত্রী এসময় বলেন, ‘নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে। জনগণ তাদের পছন্দের সরকারকে ভোটের মাধ্যমে বেছে নেবে।’

তিনি বলেন, ‘অনেকগুলো উন্নয়ন প্রজেক্ট আমরা হাতে নিয়েছি। এগুলো আমাদের শেষ করতে হবে। পদ্মাসেতু নির্মাণ আমাদের জন্য বিরাট একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। দুর্নীতির একটি অভিযোগ আমাদের উপর আনা হয়েছিল। আমি ছেড়ে দেইনি, আমি চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম, যে এটা প্রমাণ করতে হবে। তারা প্রমাণ করতে পারেনি। আমরা দুর্নীতি করে এখানে নিজের ভাগ্য গড়তে আসিনি। ভাগ্য গড়তে এসেছি বাংলার জনগণের।’

প্রধানমন্ত্রী এসময় বলেন, ‘নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে। জনগণ তাদের পছন্দের সরকারকে ভোটের মাধ্যমে বেছে নেবে।’

তিনি বলেন, ‘অনেকগুলো উন্নয়ন প্রজেক্ট আমরা হাতে নিয়েছি। এগুলো আমাদের শেষ করতে হবে। পদ্মাসেতু নির্মাণ আমাদের জন্য বিরাট একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। দুর্নীতির একটি অভিযোগ আমাদের উপর আনা হয়েছিল। আমি ছেড়ে দেইনি, আমি চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম, যে এটা প্রমাণ করতে হবে। তারা প্রমাণ করতে পারেনি। আমরা দুর্নীতি করে এখানে নিজের ভাগ্য গড়তে আসিনি। ভাগ্য গড়তে এসেছি বাংলার জনগণের।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন। আমরা চাই জনগণ স্বতস্ফূর্তভাবে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুক। যেনতেনভাবে নয়, জনগণের ভোটেই আবার ক্ষমতায় আসতে চাই। নির্বাচনে যেন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে সেজন্য সবার সাহায্য চাই।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Skip to toolbar