ইভিএমে আপত্তি নেই মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিলারের

নির্বাচন ভবনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ঘুরে দেখে এ মেশিনে ভোটগ্রহণে নিজেদের অনাপত্তি জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) এ মতামত জানিয়ে তিনি বলেছেন, ভোট নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে চেয়েও বেশি উৎসবপ্রবণ। এটা গণতন্ত্রের জন্য ভালো দিক যে ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন অংশগ্রহণমমূলক হচ্ছে। কে হারবে, কে জিতবে তা বড় কথা নয়। আমি ভোটারদের আহবান জানাবো, তারা যেনো সবাই ভোটকেন্দ্রে এসে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে।

তিনি বলেন, ইভিএম দেখেছি। এই মেশিন নিয়ে আমাদের তেমন কোনও আপত্তি নেই। যুক্তরাষ্ট্র এই নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে।

এর আগে দুপুর পৌনে ১টা কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সঙ্গে ঘণ্টাখানেক বৈঠক করেন তিনি। এ সময় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আর্ল রবার্ট মিলার নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, আজ যুক্তরাষ্ট্রে ছুটির দিন। কারণ আজ ‘মার্টিন লুথার কিং ডে’। গণতন্ত্রে ক্ষমতা এবং যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে তা মার্টিন লুথারের থেকে ভালো কেউ জানেন না। আর এ কারণেই আজ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে এসেছি।

তিনি বলেন, আমি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) দেখতে চেয়েছি। এ বিষয়ে (ইভিএম নিয়ে) বেশ কিছু শিখেছি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সব সময়ই শান্তিপূর্ণ, উৎসব মুখর, অবাধ এবং গ্রহণযোগ্য  নির্বাচন আশা করে। আশা করি সিটি নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে।

ইভিএম প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, এখানকার কর্মকর্তারা আমাকে ইভিএম প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেছেন। এটি তারা ভোটারদের কাছেও ব্যাখ্যা করেছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ভোটারদেরও ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে হবে, তারা যে প্রার্থীকেই ভোট দেয় না কেনো। বাংলাদেশে ভোট প্রদানের হার প্রায়ই যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি। যা সত্যিই প্রশংসা করার মতো।

১ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Skip to toolbar