শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে আ’লীগ নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ, ভাঙচুর

সিলেটে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের বিরুদ্ধে মিছিল ও মহড়া করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিদ্রোহীরা। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবুল কাশেম পল্লব, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সুমন আহমদ এবং ছাত্রলীগ কর্মী জুয়েল আহমদের নাম জানা গেছে।

রোববার দুপুরে ২টা দিকে বিয়ানীবাজারে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আবুল কাশেম পল্লবের নেতৃত্বে হাজার খানেক নেতকর্মী মিছিল বের করে। পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে তারা পথসভা করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়।

এ সময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতকর্মীদের ধস্তাধস্তি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এতে ক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা বৃষ্টির মতো ছুঁড়তে থাকে।

এদিকে পুলিশি হামলার পর সভাস্থলের চেয়ার, টেবিল, ও ব্যানার তছনছ হয়ে যায়। পরবর্তীতে বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাকর্মীরা পৌর সদরের সুপাতলা রোডে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।

সমাবেশে বক্তারা, সিলেট- ৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে বক্তব্য রাখেন। এ সময় তাকে মনোনয়ন না দেয়ার দাবি জানান।

সভাশেষে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আবুল কাশেম পল্লব সাংবাদিকদের বলেন, বিজয়ের মাসে আমরা বিক্ষোভ মিছিল ও সভা করার প্রস্তুতি নেই। কিন্তু নির্বাচনী আচরণের অজুহাতে কর্মসূচি প্রচারণা ও সমাবেশ করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়।

বিয়ানীবাজার থানার ওসি অবনী শংকর যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা লঙ্ঘনের ঘটনা আইনশৃংখলাবাহিনী দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে পারে না। আচরণবিধি রক্ষায় আমরা বাধা দিয়েছি। তার দাবি, পুলিশের কেউ আহত হননি তাই অ্যাসল্ট মামলা হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Skip to toolbar