
বকেয়া বিলের কারণে আদানি পাওয়ার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিয়েছে। ফলে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সংকটের মুখে বানসখালী ও রামপালসহ বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র।
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়া ১,৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসে ভারতের ঝাড়খন্ডে স্থাপিত আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগের ফ্রেন্ডশিপ প্ল্যান্টও কয়লা সংকটের কারণে ইউনিট ২ বন্ধ করে দিয়েছে, যদিও ইউনিট ১ বর্তমানে ৫৩৯ মেগাওয়াট উৎপাদন করছে। ১,২২৪ মেগাওয়াট এস আলম-সমর্থিত বানসখালী প্ল্যান্ট এবং ১,৩২০ মেগাওয়াট বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগের রামপাল প্ল্যান্ট, বিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে, যার ফলে ১,০০০ মেগাওয়াট-এর বেশি লোডশেডিং হচ্ছে।
তবে এ বিষয়ে বিদ্যুৎ জালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দায়িত্ব উপদেষ্টার বক্তব্য দিতে চাননি।
আদানি পাওয়ার (ঝারখন্ড) লিমিটেডের প্রতিনিধি ও যৌথ সমন্বয় কমিটির সভাপতি এম.আর. কৃষ্ণ রাও এক চিঠিতে উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (বিপিডিসি) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ১৭০.০৩ মিলিয়ন ডলারের জন্য প্রয়োজনীয় এলসি প্রদান করেনি এবং ৮৪৬ মিলিয়ন ডলারের (১০,০৮৬ কোটি টাকা) বকেয়া পরিমাণও মেটায়নি। সময়মতো এলসি না দেয়া এবং বকেয়া পরিমাণ পরিশোধ না করার ফলে পাওয়ার পার্চেজ অ্যাগ্রিমেন্টের আওতায় মেটেরিয়াল ডিফল্ট ঘটেছে, যা আদানি পাওয়ারের সরবরাহ বজায় রাখতে বাধা দিচ্ছে। বহু বকেয়া পরিশোধ ও এলসির অভাবে আমরা কয়লা সরবরাহকারী এবং অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ কন্ট্রাক্টরদের জন্য কাজের মূলধন নিরাপদে রাখতে পারছি না, আমাদের ঋণদাতারাও সহায়তা প্রত্যাহার করছে। আদানি তাদের চিঠিতে বিপিডিসি-কে ৩০ অক্টোবর ২০২৪-এর মধ্যে এই ডিফল্টগুলো সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে, অন্যথায় ৩১ অক্টোবর ২০২৪ থেকে সরবরাহ বন্ধ করার ব্যবস্থা নেবে।










